1. [email protected] : amicritas :
  2. [email protected] : newsdhaka :
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন

একজন পাঠক এবং আর্নেস্তো চে গুয়েভারা

শাহ বুলবুল
  • শেষ আপডেট: রবিবার, ২ মে, ২০২১
আর্নেস্তো চে গুয়েভারা কিউবার হাভানায় তার অফিস কক্ষে কাজের ফাঁকে বই পড়ছেন। ১ জানুয়ারি ১৯৬৩ সাল। ছবি : ডিনা স্টাইকারের সংগ্রহ থেকে।

আর্জেন্টিনা থেকে পানামা। বোগোতা থেকে ভেনিজুয়েলা অথবা রক্তহীম করা বাকেদানোর রাত সর্বত্রই সীমানাবিহীন আমেরিকার চেতনা যাঁকে শব্দহারা দেয়ালের মতো কষ্টের কাঁধে হাত রাখতে বলেছেন। আলবের্তো কোর্দার গেরিলেরো হেরোইকো তাঁকে নিয়ে গেছে সর্বজনীন সংস্কৃতির তুমুল জনপ্রিয় এক বিশ্বপ্রতীকে। ভ্রমণ কথা, চিঠি, সাক্ষাতকার, নিবন্ধ, কবিতা, প্রাত্যহিক ডায়েরি সর্বত্রই তিনি বৈজ্ঞানিক বিপ্লবের লেলিহান শিখা ছিটিয়েছেন। পেরু যুদ্ধের স্মৃতিবাহী কাপলিনার মতো যে আর্নেস্তো চে গুয়েভারাকে আমরা বিশ্বময় পাঠ করি তিনি কিন্তু নিজেও একজন ক্লান্তিহীন পাঠক।
আর্নেস্তোদের বাড়ি ছিলো শহর থেকে দূরে। পারানা নদীর বাঁকে। বাড়ি থেকে দেখা যেত পারানা নদীর জল আর নদীর ওপারে প্যারাগুয়ের গহীন জঙ্গল। দিন শেষে সন্ধ্যা এলে দেখা পেত ঘর ফিরতি হাজার হাজার বনটিয়ার ঝাঁক। চারপাশে জটপাকানো লাপাচো বনের সুদূর নির্জনতা। রহস্যময় মিসিওনেসের অভেদ্য জঙ্গল গেরিলা সেনাপতি আর্নেস্তোকে নিয়ে গেছে মহাকাব্যিক সময়ের প্রাচীন পথে। ইয়াগুজু নদীর অতল নিবিড়তা প্রিয় ছেলেটি স্কুল জীবন থেকেই বই পড়তেন। দাদীমা ইসাবেল লিঞ্চের কাছে প্রকৃতি প্রেম, মা সেলিয়া দে লা সেরনার কাছে শোষিত মানুষের উপাখ্যান আর বাবা আর্নেস্তো গুয়েভারা লিঞ্চের কাছে পেয়েছেন পাঠের অসীম পিপাসা। অনুসন্ধানী মানুষ আর্নেস্তো গুয়েভারা লিঞ্চের বাড়িতে আর সব কিছুর মতোই থাকতো একটি নিজস্ব পাঠাগার। যেখানে ছিল বিজ্ঞান, ভ্রমন, কবিতা, জীবনী, দর্শন, সমাজবিদ্যা, আদিবাসী মানুষদের ইতিহাস ইত্যাদিসহ সর্বমোট ৩০ হাজার বইয়ের বসবাস। বাবার প্রতিষ্ঠিত পাঠাগারটি ছিল বালক আর্নেস্তোর প্রথম বাড়ি আর শেষ ঠিকানা।

বারুদমাখা গেরিলা জীবনেও বই পড়তেন প্রিয় অস্ত্রের মতো কাছে রেখে। গেরিলাদের পরিখা অথবা কঙ্গোর দুর্ভেদ্য জঙ্গল যেখানেই ছিলেন সুযোগ পেলেই বই পড়েছেন। বিখ্যাত লেখক ছাড়াও ইতিহাস, যুদ্ধ আর কালজয়ীদে জীবনী পড়তেন। আজন্ম পাঠক আর্নেস্তো চে গুয়েভারা শৈশব থেকে কৈশোরে যাদের লেখা ও বই পড়েছেন তাঁদের মধ্যে উল্লেখ্য হচ্ছেÑ জার্মান মনোবিজ্ঞানী সিগমন্ড ফ্রয়েড, স্পেনিশ মিগুয়েল দে সারভান্তেস সাভেদ্রা, মিসিসিপিয়ান লেখক উইলিয়াম কোথবার্ট ফাল্কনার, আন্দ্রে ফাউল, ইতালিয়ান সাংবাদিক ও লেখক এমিলিও সালগারির কল্পকাহিনী, দ্য মিস্ট্রিয়াস আইল্যান্ড খ্যাত লেখক জুল গাব্রিয়েল ভার্ন, জন গ্রিফিথ জ্যাক লন্ডন, স্তোফান মালার্মে, আলেকজান্দ্র দুমা।

লাতিন আমেরিকা কেন অনুন্নত তা নিয়ে আর্নেস্তো চে গুয়েভারা গভীর মনোযোগসহ পড়াশুনা করতেন। কম বয়স থেকেই একটি বিষয় বুঝতেনÑ আর্জেন্টিনাসহ সমগ্র পৃথিবীতে যে শ্রমিক শোষণ হচ্ছে তার মূল প্রবাহ রাষ্ট্র। কিছু বুর্জোয়া রাষ্ট্র এর ধারক ও বাহক। যুদ্ধবাজ সাম্রাজ্যবাদীরা যে কোন ভাবে এই ধারা অব্যাহত রাখতে চায়। বিশ্বের নিপীড়িত মানুষদের পদদলিত করতে ঐসব জুলুমবাজরা স¤প্রতি ‘উন্নয়নশীল দেশ’ নামের একটি সুস্বাদু শব্দ ব্যবহার করছে। তাঁর মতে, এটা আসলে একটা ছুঁতো যার মাধ্যমে এক শতাব্দী থেকে আরেক শতাব্দী পর্যন্ত খেটে খাওয়া মানুষদের দমিয়ে রাখা যায়। এসময় আর্নেস্তো গভীরভাবে রাজনীতি, অর্থনীতি, দর্শন আর জনযুদ্ধের উপর নজর রাখতেন। পড়তেন জঙ্গলের আবহে লেখা উরুগুয়ের কবি হোরাসিও সিলভেসট্রি কুইরোগা ফোরতেজা, নিকারেগুয়ার কবি রুবেন দারিয়ো, লাতিন আমেরিকায় সাহিত্যের জনক গুয়াতেমালার কবি মিগুয়েল এনজেল এস্টোরিয়াস রোজালেস, বিপ্ল¬বী দার্শনিক ফ্রাঞ্জ ওমর ফেননের কালো চামড়াÑসাদা মুখোশ, পৃথিবীর নিপীড়িত, আর্নেস্ট ম্যান্ডেলের মার্ক্সীয় অর্থনৈতিক তত্ত¡ এবং রণনীতি, রাজনীতি ও অর্থনীতি বিষয়ক পাঠ্যপুস্তক।
মূলত: পাঠক হিসেবে চে এমন একজন মানুষ যিনি ১৪ বছর বয়স থেকে ফ্রয়েডের বই পড়া শুরু করেছিলেন আর ফরাসি কবিতার প্রতি ছিলো বিশেষ আগ্রহ। তার আবেগের জায়গায় কড়া নাড়তো বোদলেয়ার। ১৬ বছর বয়স থেকে চে হলেন চিলিয়ান কবি পাবলো নেরুদোর একজন মুগ্ধ পাঠক। চিলিয়ান কবি পাবলো নেরুদা আর আর্জেন্টাইন বিপ্লবী চে গুয়েভারা। সময়ের বিস্তর ব্যবধানে পৃথিবীর যাত্রী হলেও তাঁদের গন্তব্য ছিলো এক রৈখিক এবং অভিন্ন। অর্থাৎ পাঠক থেকে এই বৃত্তে দাঁড়ানো পাবলো নেরুদা এবং চে বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসে স্মরণ করা দুজন দুর্দান্ত মানুষ। পাবলো নেরুদার লাতিন আমেরিকা ছিলো বুকভর্তি আশার মহাদেশ আর তাঁর লড়াকু পাঠক চে গুয়েভারা স্বপ্ন দেখতেন শোষনমুক্ত সমৃদ্ধ লাতিন আমেরিকার। কিউবায় সফল বিপ্লবের মাধ্যমে যে স্বপ্নে জাগরণ হয়েছিলো।
পাঠক হিসেবে চে’র প্রিয় বইয়ের একটি ছিলো নেরুদার কান্তো জেনারেল বা জেনারেলের গান। এই বইয়ের কবিতাগুলো নেরুদা ১৯৩৮ সাল থেকে লেখা শুরু করলেও তা বই আকারে পাঠকের হাতে আসে ১৯৫০ সালে। স্পেনিশ ভাষায় বইটি প্রকাশ হয় মেক্সিকো থেকে। ১৯৫০ সালে ডাক্তার আর্নেস্তো গুয়েভারা লা পোদেরোসা মোটর বাইকে বন্ধু আলবার্তো গ্রানাদোর সাথে প্রথমবার লাতিন আমেরিকা ভ্রমনে বের হন। নয় হাজার কিলোমিটারের ভ্রমনে ঘুরে দেখেন আর্জেন্টিনা, চিলি, পেরু, কলম্বিয়া এবং ভেনেজুয়েলা। সর্বহারা আন্দোলনের কারণে চে গুয়েভারা নির্বাসিত হয়ে মেক্সিকোতে আসেন ১৯৫৪ সালে আর সমাজতন্ত্রের জন্য কথা বলার জন্য নেরুদাকে নির্বাসিত জীবন বরণ করে আসতে হয় আর্জেন্টিনায়। এ যেন লেখক পাঠকের নির্ধারিত মেলবন্ধন।
সিয়েরামায়েস্ত্রার জঙ্গলে জানবাজি রাখা গেরিলা যুদ্ধের সময় সতর্ক অস্ত্রের মতোই কমরেড চে’র কন্ঠে গর্জে উঠতো পাবরো নেরুদার বিদ্রোহী কবিতা। ১৯৫৭ সালে কমান্ডার চে গেরিলা বাহিনী নিয়ে লা প্লাটা নদী তীরবর্তী সিয়েরা মায়েস্ত্রার জঙ্গলে যুদ্ধরত। এসময় চে গহীন জঙ্গলে দিনকার লড়াই শেষে ক্লান্ত গেরিলাদের উজ্জীবিত করতে বহুবার পাবলো নেরুদার জেনারেলের গান কবিতাটি পাঠ করেছেন। বলিভিয়ার নানকা হুয়াজুতে চে’র সহযোদ্ধা রেজিস দেবরের ভাষ্যমতে, ১৯৬৭ সালে বলিভিয়ার প্রত্যন্ত জঙ্গলে গেরিলা যুদ্ধের সময় কমান্ডার চে’র ব্যাগে প্রিয় রাইফেলের নির্মম বুলেটের পাশেই থাকতো নেরুদার বই। ১৯৬০ সালে হাভানা সফরকালে কিউবার অর্থমন্ত্রণালয়ে রেভেল চে’র সাথে দেখা হয়েছিলো চিলির প্রেমদ্রোহী কবি পাবলো নেরুদার। দুনিয়া কাঁপানো গেরিলা কমান্ডার চে’র মাঝে বাস করা ¤্রয়িমান পাঠকের সরল স্বীকারোক্তি সেদিন পাবলো নেরুদাকে যেমন মুগ্ধ করেছিলো তেমনি শিহরিতও।
ডাক্তার আর্নেস্তো গুয়েভারা দে লা সেরনার প্রথম স্ত্রী হিলদা বেনিতা গাদেয়া আকোস্তা। ‘মাই লাইফ উইথ চে’ বিপ্লবী স্বামী চে গুয়েভারাকে নিয়ে হিলদা গাদেয়ার লেখা স্মৃতিচারণমূলক বই। মার্টিন পাবলিসিং ২০০৮ সালে বইটির ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশ করে। বইটিতে চে গুয়েভারার জীবনের অশান্ত এক সময়ের বর্ণনার পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত প্রতিকৃতি, কিংবদন্তী গুণাবলীর কথা স্থান পেয়েছে। হিললা বেনিতা গাদেয়া আকোস্তা সেই নারী যিনি ডাক্তার আর্নেস্তো চে গুয়েভারা দে লা সেরনাকে সবচেয়ে ভালোভাবে চিনতেন। বইটিতে হিলদা আর্নেস্তো গুয়েভারার পাঠ অভ্যাস সম্পর্কে বলেন, আমরা উভয়ে প্রাক বিপ্লব রাশিয়ার উপন্যাসগুলো পড়তাম। তলস্তয়, গোর্কি, দস্তয়ভস্কি, পিটার ক্রোপতকিনের একটি বিপ্লববাদী স্মৃতি ফ্রেডরিক্স এঙ্গেলস’র পরিবারের উৎস, ব্যক্তিগত সম্পত্তি এবং রাষ্ট্র, এছাড়াও লেলিন, মাক্স এবং এঙ্গেলস’র অন্যান্য সৃষ্টিসমূহ। আমরা আলোচনা করতাম এঙ্গেলস’র বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের বৈশিষ্টসমূহ এবং মাক্স’র ডাস ক্যাপিটেল। সাধারণ সংস্কৃতি হিসেবে আমরা কমবেশি পড়তাম লাতিন ভাষার রচনাসমূহ, আধুনিক উপন্যাস, দুঃসাহসিক অভিযান এবং ভ্রমণ বিষয়ক ও হাসির বইগুলো।
আর্নেস্তো রাফায়েল গুয়েভারা দে লা সেরনা থেকে চে হয়ে উঠা চে গুয়েভারার পাঠকচিত্র আজও বিশ্বনন্দিত। পশ্চিম তীরে রামাল্লার উত্তরে ফিলেস্তিনের একটি শহর বীরজেট। এখানেই অবস্থিত ফিলিস্তিনের একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিরজেট বিশ্ববিদ্যালয়। ২০১৬ সালের ১৯ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত বীরজেট বিশ্ববিদ্যালয় যাদুঘরের দ্বিতীয় প্রদর্শনী হলের দরাজ গ্যালারিতে তাদের চেতনায় মিশে থাকা বিপ্লবী চে গুয়েভারাকে নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করে যার মূল বিষয় ছিলোÑ‘এল চে, বিরামহীন পাঠক’। এ.এম কাতান ফাউন্ডেশন, ফিলিস্তিনে অবস্থিত কিউবা দূতাবাস এবং বীরজেট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যালেস্তান ও আরবি অধ্যায়ন বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিতন এই প্রদর্শনীর প্রধান লক্ষ্য ছিলো বিপ্লবী চে গুয়েভারাকে ফিলিস্তিনের বর্তমান প্রজন্মের কাছে আরও আপন করার পাশাপাশি তার পাঠ অভ্যাসকে তুলে ধরা। পাঠক চে গুয়েভারাকে নিয়ে ফিলিস্তিনীদের এই ব্যতিক্রমী প্রদর্শনীতে বিপ্লবী দুনিয়া আদর্শ চে গুয়েভারার পাঠরত বেশ কিছু ছবি, কাজের অবসরে নিত্য পড়ার জন্য তার নিজস্ব সূচি এবং চে’র পড়ার অভ্যাস নিয়ে তার সহযোদ্ধা কমরেডদের মন্তব্য গুলো নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়।
মূলত: আজকের ফিলিস্তিনিরা তাদের চেতনায় লেগে থাকা বিপ্লবী চে গুয়েভারার পাঠ অভ্যাসকে তাদের শিক্ষার্থীদের মাঝে বপন করে নতুন জাগরণের স্বপ্ন দেখাতে চান যা চে গুয়েভারার বিপ্লব ও তার দর্শণে মিশে আছে।

মৃত্যুর পর চে গুয়েভারাকে নিয়ে প্রকাশিত সিআইএ’র নথিতে তার পাঠক সত্তাকে স্বীকার করে বলা হয়-‘চে অসাধারণ ভালো একজন পাঠক ছিলেন। বিশেষত: রাজনীতি, ইতিহাস, দর্শন, ভূগোল, চিকিৎসা এবং মনোবিজ্ঞান পাঠে। তার প্রিয় বইয়ের একটি ছিলো ১৮৭২ সালে প্রকাশিত জোসে হার্নান্দেজের এল গাউচো মার্টিন ফিয়েরোর আর্জেন্টাইন সংস্করণ। হাইস্কুল পাসের পর পরই তিনি আধুনিক বিশ্বের ইতিহাস পুরো পঁচিশ খন্ড সম্পন্ন করেন।’
বলিভিয়ার কুয়েব্রাডার পাদদেশে আমেরিকা প্রেরিত বিশেষ রেঞ্জার বাহিনীর সাথে সংঘর্ষ চলাকালে চে আহত ও বন্দী হন। ১৯৬৭ সালের ৯ অক্টোবর লা হিগুয়েরা গ্রামের টিনি স্কুলের একটি শ্রেণিকক্ষে আহত ও বন্দী চে গুয়েভারাকে হত্যা করেন সার্জেন্ট মারিও তেরান। ১৯৬৮ সালে গেরিলা বীর চে গুয়েভারার স্মরণ অনুষ্ঠানে তাঁর সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু ডা. বেরটা গিলদা তিতা ইনফান্তে চে’র পাঠক স্বরূপ সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, সে এক মুহূর্ত সময়ও অপচয় করতে না, এমনকি ভ্রমণকালীন সময়েও না। তাঁর হাতে সবসময় বই থাকতো। সেটা হতে পারে সিগমন্ড ফ্রয়েড, চিকিৎসা বিষয়ক পাঠ্যপুস্তক অথবা ক্লাসিক কোন বই।
বাস্তবতা আর পড়াশুনা এই দু’য়ের মিলনে আর্নেস্তো বুঝতে পেরেছেন সারা বিশ্বের অনাহরী মজদুর মানুষের শত্রæ পুঁজিপতি এলিটরা; যারা দেহাতী মানুষ আর ভুখানাঙ্গা শিশুদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে ব্যবহার করছে। মূলতঃ বইয়ে পাতা খুড়ে অর্জিত জ্ঞান আর বাস্তবতার নিরিখে আর্নেস্তো নিপীড়িত মানুষদের হাড্ডিসার কাঁধ থেকে উপনিবেশিক জোয়ালগুলোকে চিরতরে বিচ্ছিন্ন করে দিতে চেয়েছিলেন।

লেখক: শাহ বুলবুল, কবি ও প্রাবন্ধিক।

অনুগ্রহ করে পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটেগরির অন্যান্য পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *