1. md.sabbir073@gmail.com : amicritas :
  2. newsdhaka@newsdhaka.com : newsdhaka :
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০১:০৭ অপরাহ্ন

আব্দুল মতিন খসরু আর নেই

নিউজ ঢাকা প্রতিবেদক
  • শেষ আপডেট: বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২১

করোনায় প্রাণ কেড়ে নিল সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাবেক আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় আজ বুধবার (১৪ এপ্রিল) বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা যান। তার ব্যক্তিগত সহকারী অ্যাডভোকেট মো. মহিন এটি নিশ্চিত করেছেন।

মতিন খসরু আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম ও কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য। গত ১৫ মার্চ সংসদ সচিবালয়ে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন তিনি। ১৬ মার্চ সকালে করোনা পজিটিভ আসে। ওইদিনই তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে গত ২৮ মার্চ রাত ১২টায় তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। ১ এপ্রিল করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ আসে। পরে ৩ এপ্রিল আইসিইউ থেকে সাধারণ কেবিনে স্থানান্তর করা হয়। ৬ এপ্রিল সকালে ফের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। সেদিনই পুনরায় তাকে নেওয়া হয় আইসিইউতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন সাবেক এই মন্ত্রী।

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতির শোক
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাবেক আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বুধবার (১৪ এপ্রিল) শোক বার্তায় তিনি শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আব্দুল মতিন খসরু মৃত্যুতে‌ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক প্রকাশ করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও আব্দুল মতিন খসরু মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জনাব সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে প্রধান বিচারপতি শোক বার্তায় জানান, অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু অত্যন্ত নির্লোভ, নিরহংকারী এবং সজ্জন ব্যক্তি ছিলেন। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তার অসামান্য অবদান রয়েছে। আইন অঙ্গনের সকলেই তাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবেন।

পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, আবদুল মতিন খসরু ১৯৫০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মিরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মো. আবদুল মালেক এবং মা জাহানারা বেগম। চার ভাই, এক বোন তারা। আব্দুল মতিন খসরু ব্যক্তিজীবনে এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক।

আব্দুল মতিন খসরু ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯৬-২০০১ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৬ সালে সংবিধান ও মানবতাবিরোধী কালো আইন ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচারের ব্যবস্থা করেন তিনি। পরবর্তীকালে সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারবর্গের আত্মস্বীকৃত খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়।

অনুগ্রহ করে পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটেগরির অন্যান্য পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *