1. [email protected] : amicritas :
  2. [email protected] : newsdhaka :
শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০১:২৩ অপরাহ্ন

বিধিনিষেধে দুর্ভোগে পোশাকশ্রমিকরা

নিউজ ঢাকা প্রতিবেদক
  • শেষ আপডেট: বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২১

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সীমিত পরিসরের বিধিনিষেধ শেষে আজ থেকে কঠোর বিধিনিষেধে বাংলাদেশ। যা চলবে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত। সরকারঘোষিত এই নিষেধে সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

শুধু খোলা রয়েছে জরুরি সেবাদানকারী পরিবহন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও পোশাকশিল্প কারখানা। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় কারখানা কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় পরিবহন সরবরাহের কথা থাকলেও পায়ে হেঁটে কারখানায় যেতে হচ্ছে অনেক শ্রমিকদের।

এতে করে একদিকে শ্রমিকদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া। অন্যদিকে অটোরিকশায় গাদাগাদি করে যাওয়ায় বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের ঝুঁকি।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) লকডাউনের প্রথম প্রহরে সাভারের বিভিন্ন এলাকায়, অটোরিকশা ও পায়ে হেঁটে কারখানায় যেতে দেখা গেছে শ্রমিকদের। একদিকে গণপরিবহন বন্ধ, অন্যদিকে পোশাক কারখানা খোলা। এতে পরিবহন-সংকটে ভোগান্তির শিকার পোশাক শ্রমিকরা।

এভাবেই করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে কারখানায় যাচ্ছেন আকলিমা নামের এক পোশাকশ্রমিক। তিনি বলেন, লকডাউন হলেই অফিস যেতে সমস্যা হয়। গাড়ি পাওয়া যায় না, রিকশাভাড়া ডাবল হয়ে যায়। আমাদের খরচ বেড়ে যায়। কিন্তু কারখানা কিংবা সরকার তো এই টাকা আমাদের দেবে না।

আরেক শ্রমিক তাসলিমা বলেন, আমরা তো পোশাককর্মী। একই কারখানায় ২ থেকে ৩ হাজার শ্রমিক কাজ করি। সবাই পৃথক বাড়িতে ভাড়া থাকি। কার বাড়িতে কার যাতায়াত, এটা বলা কঠিন। করোনা সংক্রমণের রোগী যদি কোনো এক বাড়িতে আসে তাহলে আমাদেরও করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, করোনার ঝুঁকি নিয়েই ভয়ে ভয়ে কারখানায় যাচ্ছি। সবার জন্য পরিবহন ব্যবস্থা নেই। তবে কিছু কিছু পোশাক কারখানা আগে থেকেই ব্যক্তিগত পরিবহনে দূরের শ্রমিকদের আনা নেওয়া করে। তবে দুই তিন কিলোমিটারের মধ্যে যেসব শ্রমিক বসবাস করেন, তারা ব্যক্তিগতভাবে যাতায়াত করে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, শুধু পরিবহন ব্যবস্থাই নয়, পরিবহনেও স্বাস্থ্যবিধি শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে। এই খাতে যদি স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা না যায় তাহলে কঠোর বিধিনিষেধ দিয়ে ফায়দা হবে বলে আমি মনে করি না।

বস্ত্র ও পোশাকশিল্প শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সারোয়ার হোসেন বলেন, বড় বড় কিছু কারখানার আগে থেকেই পরিবহনের ব্যবস্থা রয়েছে। যাতে করে দূরের শ্রমিকরা যাতায়াত করে থাকে। কিন্তু নতুন করে কোনো কারখানা পরিবহনের ব্যবস্থা করেছেন বলে এখনও খবর পাইনি।

কারখানা কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে বলব, শ্রমিকদের জন্য শিগগির পরিবহনের ব্যবস্থা করবেন। শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার নিশ্চয়তা প্রদান করে কারখানায় উৎপাদন অব্যাহত রাখবেন।

সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সায়েমুল হুদা বলেন, পোশাক কারখানায় করোনা নিয়ন্ত্রণ বড় চ্যালেঞ্জ। পরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হলে বিপর্যয়ের শঙ্কা রয়েছে। কাজেই ব্যক্তিগতভাবে সচেতন হতে হবে। নিজেদের বাঁচাতে নিজেদেরই লড়তে হবে।

অনুগ্রহ করে পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটেগরির অন্যান্য পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *